অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে কলিবাফের সরকারি সফরের সময় তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিনেটের চেয়ারম্যানসহ দেশটির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইরানের স্পিকারের তিন দিনের এই সফরের লক্ষ্য ছিল ইরান ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও সংসদীয় সহযোগিতা জোরদার করা। যা তেহরান-ইসলামাবাদ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে সাক্ষাতে কলিবাফ ইসলামাবাদ সফরে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনগণের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, এই সমর্থন দুই জাতির গভীর বন্ধুত্বের প্রতিফলন এবং সংসদীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানো জরুরি।
কলিবাফ বলেন, ইরানের ওপর সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার জবাবে তেহরানের প্রতিক্রিয়া ছিল এই দখলদার ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাদের সবচেয়ে বড় আঘাত।
তিনি বলেন, ইরান ও পাকিস্তানের নানা ক্ষেত্রে অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে এবং দুই দেশকে ইসরায়েলি আগ্রাসন ও তার মিত্রদের মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করতে হবে। তেহরান ও ইসলামাবাদ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিস্তৃত সহযোগিতা করতে পারে। আর এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে দুই দেশের বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ বাড়ানো ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ করা।
আয়াজ সাদিক ইরানি জাতির বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী আমাদের দুই দেশের অভিন্ন শত্রু। ইরান ও পাকিস্তান এক জাতি, যারা দুই প্রান্তে বাস করে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ইরানের ওপর ইসরায়েলি আক্রমণের নিন্দায় একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।
সফরের অংশ হিসেবে কলিবাফ পাকিস্তানের সিনেট চেয়ারম্যান সাইয়্যেদ ইউসুফ রাজা গিলানির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, সংসদীয় সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা