অনলাইন ডেস্ক
অন্যদিকে জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় গরু ঠেকাতে সীমান্তে পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছে। শেরপুরের নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
শেরপুর নৌহাটা পৌর গরু-মহিষের হাট, আব্দুস সামাদ গরু হাটি, নালিতাবাড়ী বাইপাস মোড় হাট ও ঝিনাইগাতী সদর বাজার হাট ঘুরে খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভালো দামের আশায় তারা সারা বছর গরু লালন-পালন করেছেন। কিন্তু এবার বাজার দর আগের তুলনায় কম। এর মধ্যে ভারতীয় গরু ঢুকলে লোকসান আরও বাড়বে বলে।
খামারিরা জানান, ধানের কুড়া, খেসারি, ধান, ভুট্টা ও ভুসিমিশ্রিত দানাদার খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। শেরপুরে কলার ব্যাপক আবাদ থাকায় কাঁচা ঘাস সহজে পাওয়া যায় না। খড়ের দামও চড়া। পাশাপাশি শ্রমিকের মজুরি, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা ব্যয়সহ সব মিলিয়ে খরচ বেড়েছে বহুগুণ। ফলে এবার লাভের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার কালীবাড়ি গরু হাটি আসা কাংশার খামারি মিনহাজ আহমেদ সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘বাপু এবার সব কিছুর দাম বেশি। ভুসি ৬৫ টাকা কেজি, কুড়ার বস্তা ১৫০০ টাকা, খড়ের আটি সাড়ে সাত থেকে আট টাকা। এর সঙ্গে শ্রমিক খরচও আছে। অথচ হাটে ক্রেতারা খুব কম দাম বলছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম দর।’
একই কথা বলেন ঝিনাইগাতী গরুর হাটে আসা খামারি হেলান আলী। তিনি বলেন, খাবার থেকে পোশাক সবকিছুর দাম বেড়েছে। কিন্তু গরুর ন্যায্য দাম চাইলে আপত্তি। এবার লাভ হবে না। আর যদি ভারতীয় গরু আসে তাহলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। সরকারের কাছে অনুরোধ, কোনোভাবেই যেন সীমান্তের ওপারের গরু ঢুকতে না পারে।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রধান ডা. রেজুয়ানুল হক ভূঁইয়া জানান, জেলায় এবার স্থায়ী ২০টি হাট বসেছে এবং প্রতিটি হাটেই মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৬২ হাজার, আর যোগান রয়েছে প্রায় ৯৩ হাজার পশু।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তে গরুসহ অন্যান্য চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। সীমান্তে গরু চোরাচালান শূন্য রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা