অনলাইন ডেস্ক
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপর ইরান পাল্টা হামলা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যা পরবর্তীতে জ্বালানি অবকাঠামোতে গড়ায়। এ সময় আমিরাতের বিভিন্ন ডিপো ও তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে ড্রোন ছুড়ে ইরান। তবে ছোট আকতির এসব ড্রোন যেন ডিপোতে সরাসরি আঘাত করতে না পারে সেজন্য এখন লোহার খাঁচা দিয়ে এগুলো সুরক্ষিত করা হচ্ছে।
আমিরাতের মোট জিডিপির ৩০ শতাংশই আসে তেল ও গ্যাস থেকে। অপরদিকে তাদের ১৩ শতাংশ জিডিপি রপ্তানি থেকে হয়।
যুদ্ধ চলার সময় আমিরাত ইরানে সরাসরি হামলা চালায়। এছাড়া দেশটি দখলদার ইসরায়েলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও তাদের সেনাদেরও নিয়ে আসে।
বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর ইরান হুমকি দিয়েছে, নতুন করে যদি যুদ্ধ বাধে তাহলে আমিরাতে ব্যাপক হামলা চালানো হবে।
এছাড়া যুদ্ধের মধ্যেই আমিরাতে গিয়েছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এ তথ্য সামনে আসার পর ইরান আরও ক্ষুব্ধ হয়।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা