অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার (৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এ মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
তাপসসহ পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।
গত ২৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
ওই দিন শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে আনা তিনটি অভিযোগ তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই কখন কোথায় কী ঘটেছে, এসবের বর্ণনা দেন তিনি। এছাড়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাপসের ফোনালাপের প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে অন্য আসামিদের উপস্থিতি ভিডিও ফুটেজে উঠে এসেছে বলেও ট্রাইব্যুনালকে জানান তামিম। প্রসিকিউশনের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।
এদিকে, মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি চান গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের আইনজীবীরা। ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না বলে দাবি করেন এক আসামির আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। এ ধরনের অপরাধের বিচারের জন্য পৃথক আইন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা