অনলাইন ডেস্ক
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন গ্রহণ করার পর সোমবার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল এবং আজ কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক গেজেট জারি করা হয়েছে।
এর আগে, এই আসনটিকে কেন্দ্র করে নাটকীয়তা ও আইনি লড়াইয়ের সৃষ্টি হয়। মূলত সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করার পর তিন বছর সময় পার না হওয়ায় জামায়াত জোটের আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। সেই শূন্যতা পূরণে গত ২১ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। পরে নুসরাত আদালতের শরণাপন্ন হলে উচ্চ আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই ইসি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
এদিকে নিজের প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনিরা শারমিন পুনরায় রিট আবেদন করেন এবং শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ স্থগিত রাখার আবেদন জানান। তবে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের একজন বিচারপতি এবং আবেদনকারী একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় সোমবার আদালত রিটটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং এটি অন্য বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এই আইনি পরিস্থিতির মধ্যেই ইসি নুসরাতকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। কর্মকর্তাদের মতে, আদালতের ভিন্ন কোনো স্থগিতাদেশ না আসায় নুসরাত তাবাসসুমই এখন সংসদের ৫০ নম্বর সংরক্ষিত নারী আসনের বৈধ প্রতিনিধি।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যার অনুপাতে ইসি এবার বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোটকে ১টি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন বণ্টন করেছিল। নুসরাত ও মনিরার মধ্যকার এই বিতর্কিত আসনটি ছাড়া বাকি ৪৯টি আসনে প্রার্থীরা আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। নুসরাত তাবাসসুমের এই গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্ত হলো।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা