অনলাইন ডেস্ক
এ সময় প্রতিনিধি দল তাদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরতে সহযোগিতা দেওয়াসহ অন্যান্য কনস্যুলার সেবা দেন, পাশাপাশি দেশে থাকা পরিবারের সঙ্গেও প্রবাসীদের যোগাযোগের সুযোগ করে দেন। একই দিন দূতাবাসের প্রথম সচিব (লেবার) সেলাঙ্গর রাজ্যের সেমেনিহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে একজন নারী শিশুসহ ২২ জন বাংলাদেশির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদেরও একই সেবা দেন।
এছাড়া ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে পৃথক পৃথক সভায় বন্দি বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ইস্যুতে ক্যাম্পের সহযোগিতা কামনা করা হলে ক্যাম্পের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। ক্যাম্পে বন্দি থাকা বাংলাদেশিরা বিমান টিকিট প্রাপ্তিসাপেক্ষে পরবর্তী ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারবেন বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বৈধভাবে কলিং ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়া গিয়েও মাসের পর মাস বেকার থাকার পর অন্যত্র কাজ করা, বৈধতার আশায় দালালের প্রলোভনে ভ্রমণ ভিসায় সেদেশে গিয়ে ফিরে না আসা এবং নির্মাণ শ্রমিকের ভিসা নিয়ে সার্ভিস সেক্টরে কাজ করাসহ বিভিন্ন অপরাধে আটক হয়ে দেশটির জেলে হাজার হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন। এসব বন্দিদের দ্রুত দেশে ফেরাতে দূতাবাস নিয়মিত দেশটির বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
এদিকে মালয়েশিয়ায় অনথিভুক্ত অভিবাসীদের সর্বোচ্চ ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে কোনোরকম শাস্তির মুখোমুখি হওয়া ছাড়াই নিজে দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ চলমান রয়েছে। তবুও থেমে নেই ধড়পাকড়, প্রায় প্রতিদিন অভিবাসন বিভাগের একক এবং যৌথ অভিযানে হাজার হাজার অভিবাসী আটক হচ্ছেন। গতকাল(১৩ সেপ্টেম্বর) মিনি ঢাকা খ্যাত কোতারায়ায় অভিযান চালিয়ে ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ অভিবাসীকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। অন্যদিকে, নিজের এবং পরিবারের কথা বিবেচনা করে মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া সাধারণ ক্ষমার সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশটিতে থাকা অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের দেশে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা