অনলাইন ডেস্ক
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে পাকিস্তানের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে ওমান। শনিবার ওমানের উদ্দেশে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সেখানে পৌঁছে ওমানের বাদশাহর সঙ্গে বৈঠকের পর রোববার আবারও ইসলামাবাদে ফিরেছেন তিনি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে আরাঘচি বলেছিলেন, ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার কার্যকর রূপরেখা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। এ সময় এই যুদ্ধ বন্ধে ইরানের বিভিন্ন শর্ত ও অবস্থান জানিয়ে দেন তিনি।
শনিবার আরাঘচি পাকিস্তান ত্যাগ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর বাতিল করেছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় আরাঘচি এক্সে লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির বিষয়ে সত্যিই আন্তরিক কি না, তা দেখার অপেক্ষায় আছি।
পাকিস্তানের একাধিক সূত্র বলেছে, ওমানে এক দিনের সফর শেষ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছেছেন। ইসলামাবাদে সংক্ষিপ্ত অবস্থানকালীন তিনি পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং এরপর মস্কোর উদ্দেশে রওনা হবেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি বলেছে, রোববার সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সালের সঙ্গে টেলিফোনে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
আইআরবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি এবং সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল এক ফোনালাপে সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন।’’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা