অনলাইন ডেস্ক
প্রেসিডেন্ট মিলেই বলেন, ফুটবল স্রেফ একটি খেলা। খেলোয়াড়দের আবেগপ্রবণ আচরণ বা রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক আলোচনাই একমাত্র সঠিক উপায়, কোনো ফুটবল ম্যাচের উদযাপন নয়।
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিয়েগো মারাদোনার সেই ঐতিহাসিক গোলগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ম্যারাডোনার কোনো গোলই আমাদের মালভিনাস ফিরিয়ে দিতে পারেনি।’
সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থানের সমর্থনে পপ সম্রাট এলভিস প্রেসলির উদাহরণ টেনে আনেন মিলেই। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রেসলি বলেছিলেন যে তিনি বিনোদন জগতের মানুষ, রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন না। তিনি বলেন, ‘তেল আর জল যেমন মেশে না, খেলা আর রাজনীতিও তেমনই আলাদা রাখা উচিত।’
তিনি আরও জানান, জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনির অবস্থানের সঙ্গে তিনি একমত। তবে ম্যাচের আবেগ থেকে খেলোয়াড়রা হয়তো এটি করে ফেলেছেন, কিন্তু রাজনীতিকদের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটলে তা যুদ্ধের ঘোষণার শামিল হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট মিলেই দাবি করেন, তার প্রশাসন কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে মালভিনাসের ওপর আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্ব দাবিতে অগ্রগতি অর্জন করেছে। জাতিসংঘ ব্রিটেনকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করেছে এবং এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমর্থন আদায় করা সম্ভব হয়েছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা