অনলাইন ডেস্ক
শুধু সরকার প্রধান নয়, মন্ত্রীরা সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে বাজেটের সমালোচনা, শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি জটিলতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং সংসদীয় বক্তব্য নিয়ে তর্ক-বিতর্কে সরগরম ছিল অধিবেশন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টার পর জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বিকেল ৩টা থেকে আসরের আযান পর্যন্ত সভাপতিত্ব করেছেন। তার ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পরবর্তী সময়ে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদের উপস্থিত না থাকলেও প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছেন, তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের জন্য আরও একটি ব্যারেজ নির্মাণের লক্ষ্যে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদীর উজানে বাঁধ দেওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি প্রবাহ কমে যায়। যার ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতি বৃষ্টির কারণে হঠাৎ বন্যা ও নদীভাঙন হয়।
লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিস্তা এলাকার ৫টি জেলায় (রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং লালমনিরহাট) নদীভাঙন রোধে বিগত ও চলতি অর্থবছরে ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে, যা এ মাসেই শেষ করার জন্য নির্ধারিত রয়েছে। আরও উল্লেখ্য, এই কাজের মধ্যে রংপুর -৪ সংসদীয় এলাকার তিস্তা নদীর অংশে ভাঙন রোধে প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪.৬ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান আছে, যার বাস্তবায়নও চলতি মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীভাঙন অনেকাংশেই কমে আসবে।
তারেক রহমান বলেন, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এই সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে ১১০ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ (নদী শাসন), ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন/স্পার নির্মাণ ও মেরামত এবং ১৭০ বর্গ কিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন কাজ প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া তিস্তা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের জন্য আরো একটি ব্যারেজ নির্মাণের লক্ষ্যে কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা