অনলাইন ডেস্ক
সরেজমিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটের ভেতরের অবকাঠামো সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ক্রেতা ও বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে পশু ও টাকা লেনদেন করতে পারেন, সেজন্য বাঁশ দিয়ে মজবুত বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে। রোদ-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষায় টানানো হয়েছে বিশাল সামিয়ানা, আর হাটের যত্রতত্র পশু বাঁধার সুবিধার্থে নির্দিষ্ট দূরত্বে বসানো হয়েছে খুঁটি।
এদিকে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে হাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আনা হয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। জাল টাকার কারবার ঠেকাতে বসানো হয়েছে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন। পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম। এর পাশাপাশি, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের তথ্যমতে, জেলায় মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৬৮টি গরু, ৫০৬টি মহিষ, ৮০ হাজার ৩৪৩টি ছাগল, ১২ হাজার ৪২২টি ভেড়া এবং ৫টি অন্যান্য গবাদিপশুসহ সর্বমোট ২ লাখ ২২ হাজার ৬৪৪টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। ২০২৬ সালে পুরো জেলার মোট পশুর চাহিদা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭০০টি, যার বিপরীতে জেলায় সর্বমোট ৫৫ হাজার ৮৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।
এছাড়া উপজেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ৮৬ হাজার ৩৪৩টি পশুর বিপরীতে চাহিদা ৪৬ হাজারটি এবং উদ্বৃত্ত রয়েছে ৪০ হাজার ৩৪৩টি পশু।
শিবগঞ্জ উপজেলায় ৩৮ হাজার ৩১১টি পশু প্রস্তুত থাকলেও চাহিদা রয়েছে ৫১ হাজার ২২৯টি, ফলে এখানে ১৩ হাজার ৫৭টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। নাচোল উপজেলায় ১৩ হাজার ৫২৫টি পশুর বিপরীতে চাহিদা ১২ হাজার ৫২০টি এবং উদ্বৃত্ত ১ হাজার ৫টি পশু। গোমস্তাপুর উপজেলায় ৫৭ হাজার ৮০৯টি পশু প্রস্তুত রয়েছে যেখানে চাহিদা ৪৫ হাজার ৪৫৩টি এবং উদ্বৃত্ত ১২ হাজার ৩৫৬টি পশু। সর্বশেষ ভোলাহাট উপজেলায় ১৬ হাজার ৭৭৬টি পশুর বিপরীতে চাহিদা ১১ হাজার ৫০০টি এবং উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫ হাজার ২৭৬টি পশু।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা