অনলাইন ডেস্ক
বিমান, ড্রোন, রকেট লাঞ্চার এবং ফিল্ড আর্টিলারি বা মাঠ পর্যায়ের সমরাস্ত্রের সাহায্যে পরিচালিত এসব অভিযানে নিহত এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ৩১৬ জন হুথি যোদ্ধা। নিহতদের তালিকায় ৪ জন ইরানি নাগরিকও আছেন। এই ইরানি নাগরিকরা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ ছিলেন।
এ ছাড়াও এসব অভিযানে হুথি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ স্থাপনা, সামরিক যানবাহন, অস্ত্র ও গোলাবারুদের ডিপো, সেনা সমাবেশ স্থাপনাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামরিক সম্পদ ধ্বংস হয়েছে।
ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আবদুল্লাহ আল নুজাইলি সৌদি দৈনিক আরব নিউজকে এসব তত্য নিশ্চিত করে বলেছেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইয়েমেনের লাহজ প্রদেশের আল-ধালেয়া জেলার একটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ৩ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা এবং ৪ জনকে আহত করেছিল হুথি বাহিনী। একই সময়সীমায় লাহজের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ক্যাটাগরির ল্যান্ডমাইন পেতেছে হুথি যোদ্ধারা, যার জেরে ইয়েমেনের সাধারণ বেসামরিক নাগরিকদের জীবন গুরুতর ঝুঁকিতে পড়েছে, চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং শোচনীয় মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।
৭২ ঘণ্টায় হুথিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ৭৫৬টি অভিযান পরিচালনার মূল কারণ এগুলো বলে আরব নিউজকে উল্লেখ করেছেন কর্নেল আল-নুজাইলি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তারপর মাত্র এক বছরের মধ্যে ২০১৫ সালে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী।
বর্তমানে রাজধানী সানা, লোহিত সাগর উপকূল, বাব আল-মান্দেব প্রণালিসহ ইয়েমেনের গোটা উত্তরাঞ্চলসহ মোট ভূখণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে; আর দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
উত্তর ইয়েমেনকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে গত জুলাই থেকে ইয়েমেনে অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনী।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা