অনলাইন ডেস্ক
তুরস্কের মাঠে সফরকারী হিসেবে খেলতে নেমে বল দখলে এগিয়ে ছিল ফরাসিরা। তবে আক্রমণে উভয় দলই প্রায় সমান তালে লড়েছে। জিদানের শিষ্যরা ১২ শটের ৪টি এবং স্বাগতিকরা সমান শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য সমতায়। ৫৪ মিনিটে দেওয়া এমবাপের একমাত্র গোলটি জয় নির্ধারণ করে দিয়েছে।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় ফ্রান্স। মাইকেল ওলিসের পাস পেয়ে বক্সে এমবাপের নেওয়া শট বাইরে দিয়ে যায়। ২৮ মিনিটে তুরস্ক ভালো সুযোগ পায়। তবে আর্দা গুলারের ক্রসে তার সতীর্থ ফ্রান্স গোলরক্ষকের হাতে হেড দেন। ৪১ মিনিটে উসমান দেম্বেলের কাছ থেকে বল পেয়ে রায়ান চেরকি দারুণ সুযোগ পেলেও শট নিতে দেরি করে ফেলেন, ফলে তুর্কি ডিফেন্ডার আটকে দেন বল।
বিরতির আগমুহূর্তে ওলিসের জোরালো একটি শট তুর্কি গোলরক্ষক এক হাত ছুঁয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান। দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে পাওয়া বলে তুরস্কের একজন হেড দিলে সেটি ফের কর্নার বানিয়ে ফেরান ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান। ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ৫৪ মিনিটে। ওলিসের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মুখে সেটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ান এমবাপে। এ নিয়ে ফরাসি জাতীয় দলের জার্সিতে ১০৭ ম্যাচে তিনি ৬৭তম গোল করলেন।
অবশ্য গোলের পরপরই মাঠ ছাড়তে হলো রিয়াল মাদ্রিদ তারকাকে। ম্যাচের আগে অনুশীলন মিস দেওয়ায় তার চোট নিয়ে শঙ্কা ছিল। গোলের পর হাঁটু ধরে বসে পড়ার পর প্রাথমিক চিকিৎসার পরও ঠিক মনে না হওয়ায় উঠে যান তিনি। ৮৭ মিনিটে ফ্রান্সের একটি আক্রমণ রুখতে গিয়ে পোস্টের বাইরে এসে হাত দিয়ে বল স্পর্শ করেন তুর্কি গোলরক্ষক। পরে ভিএআর দেখে তাকে রেফারি লাল কার্ড দেখান। বাকি সময়ে তারা ১০ জন নিয়ে খেললেও স্কোরলাইন ১-০ পরিবর্তন হয়নি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা