অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। হামজা চৌধুরী দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম পাঁচ মিনিটে জোড়া গোল করে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন। এরপর খেলা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কোচ হামজাকে ৮০ মিনিটে তুলে নেন। এরপর নেপাল ম্যাচে খানিকটা প্রাণ ফিরে পায়।
নেপালের একটি আক্রমণ ক্রসবারে লেগে ফেরত আসে। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে কর্নার থেকে অনন্ত তামাং দারুণ দক্ষতায় ফ্লিক করেন। বাংলাদেশের ডিফেন্স জটলা ও গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে পরাস্ত হন। নেপাল স্বাগতিকদের জয় ছিনিয়ে নিয়ে উল্লাসে মাতে।
শেষ মুুহূর্তে গোল হজম করে ম্যাচ হারা কিংবা পয়েন্ট হারানো বাংলাদেশের নতুন কিছু নয়। ৯ অক্টোবর ঢাকায় হংকংয়ের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে সমতা আনার পরও ইনজুরি সময়ে গোল খেয়ে ম্যাচ হেরেছিল। এক মাস পর প্রীতি ম্যাচেও সেই একই পুনরাবৃত্তি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা