অনলাইন ডেস্ক
এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল যাদব জানান, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের একজন অনুগত শিল্পের ছাত্র। কাজের প্রতি ডেডিকেশন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত ৩০-৪০ বছরে গ্রাম থেকে শুরু করে এখানে আসার জার্নিতে আমি যদি ১০০-২০০ মানুষের কাছে ঋণী থাকি, তবে সেই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। কারণ আমি জানি তা কোথায় আছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, তহবিল যখন সংকটে পড়ে, তখন মানুষ কীভাবে একজন শিল্পীর পুরো বায়োডাটার ওপর বাজি ধরে?’
টাকার বিনিময়ে তাকে কেনা সম্ভব নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজপাল যাদব সংকটে থাকুক বা ভালো থাকুক, বিমানবন্দরে গেলে এখনও ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে। বিশ্বে রাজপাল এতটাই দায়িত্বশীল একজন অভিনেতা। আমাকে কেউ ৫ কোটি, ১০ কোটি, ১০০ কোটি বা ২৫০ কোটিতে কিনতে পারবে না। কারণ আমি শৈশব থেকেই শিল্পের নামে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। টাকার জন্য কেউ আমাকে কিনতে পারবে না, আমার এ কথায় বিশ্বাস রাখুন।’
তার কথায়, ‘অভিনয়ের এই পথচলায় আমি থিয়েটার ও সিনেমার একজন পূজারী। এটাকে ক্ষতি বলুন বা যা-ই বলুন, আমি ১০০% নিশ্চিতভাবে এমন কিছু তৈরি করে দিয়ে যাব, যেন ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজপালের অবদান আপনারা দেখতে পান। এর জন্য এক বা দুই বছর সময় লাগতে পারে। আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছি যে আমি কখনোই হারিয়ে যাইনি ছবি বানিয়েও না, ঘর বানিয়েও না, কিংবা ক্যারিয়ার বানিয়েও না ‘
প্রসঙ্গত, মূলত আর্থিক বিরোধের জের ধরে মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের দায়ের করা একাধিক চেক বাউন্স মামলায় সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট রাজপাল যাদব ও তার স্ত্রী রাধা যাদবের সাজা বহাল রাখেন। আদালত নির্দেশ দিলে তিনি দিল্লি টিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। কিছুদিন কারাভোগের পর বাদীর পাওনার একটি অংশ পরিশোধ করায় পরবর্তীতে তিনি মুক্তি পান। রাজপাল যাদবকে সর্বশেষ ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ছবিতে দেখা গেছে, এছাড়া তিনি ‘ভূত বাংলা’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা