অনলাইন ডেস্ক
সরেজমিনে দেখা যায়, বড়ইতলা ফেরিঘাট নদীর জোয়ারের পানিতে ফেরিঘাটের উভয় পাশের সংযোগ সড়ক তলিয়ে গেছে। ফলে পানি পেরিয়ে যাত্রীদের ফেরি ও খেয়ায় উঠতে হচ্ছে। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার প্রায় ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি আরও বাড়লে বেড়িবাঁধের বাইরের বসতঘরগুলোও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের পোটকাখালী, বরইতলা, ডালভাঙ্গা, বদরখালী ইউনিয়নের বাওয়ালকার এবং পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি এলাকার চরাঞ্চল জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।
এ ছাড়া বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ উপচিয়ে পানি প্রবেশ করেছে। নদীর পানি যদি আরও বৃদ্ধি পায় তাহলে বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চলের বসতঘর পানিতে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পাথরঘাটাগামী যাত্রী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নাসির উদ্দীন ঢাকা পোস্টকে বলেন, অতিরিক্ত জোয়ার হলেই বড়ইতলা ফেরিঘাটের সংযোগ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। এতে প্রতিদিনের যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংযোগ সড়কটি উঁচু করা হলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
রায়হানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. রিপন চৌধুরী দুলাল ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রতিবছরই এ সময়ে একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক সংস্কার ও বড়ইতলায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হান্নান প্রধান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আজকের পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা