অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তানের মাটি থেকে হটাতে দীর্ঘ ২০ বছর যুদ্ধ করেছে তালেবান। এরপর তারা এতে সফল হয়েছে।
তবে সেই যুক্তরাষ্ট্রকেই আবার আফগানিস্তানে পুনরায় দূতাবাস খোলা এবং বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমিন খান মুত্তাকি।
সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে শনিবার (১৫ আগস্ট) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুক্তাকি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কাবুলের দূতাবাস পুনরায় খুলে দেওয়া এবং আফগানিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ ও বিভিন্ন অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করা।
তিনি বলেছেন, “আমরা বর্তমানে বিবেচনা করি যুদ্ধের অধ্যায় শেষ হয়েছে।”
পাঁচ বছর হয়ে গেলেও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এখনো তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। কিন্তু তারা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ‘একঘরে’ অবস্থা থেকে বের হতে চায়। সাম্প্রতিক সময়ে তালেবান সরকার রাশিয়া, উজবেকিস্তান ও অন্যান্য আঞ্চলিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক অনেকটাই উন্নত করেছে।
আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অর্থনৈতিকভাবে উন্মুক্ত থাকলেও দেশটিতে আর কখনো মার্কিন বা বিদেশি সেনাদের ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন মুত্তাকি।
আফগানিস্তান প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ। তারা এটিকে কাজে লাগাতে চীন, ইরান ও কাতারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। যারা প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন করে আফগানিস্তানকে এর ভাগ দেবে।
নিউইয়র্ক টাইমসকে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক রবিন রাফেল বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র চায় তাহলে তারা আফগানদের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অধিকার পাবে এবং মধ্য এশিয়ায় নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে। তবে এজন্য কাবুলে মার্কিনিদের কূটনৈতিক উপস্থিতি থাকতে হবে। তবে এ মুহূর্তে আফগানিস্তানে কূটনীতিক পাঠানোর বিষয়টি মার্কিন সরকারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা