অনলাইন ডেস্ক
গত কাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছেন ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল-নুজাইলি। বিবৃতিতে কর্নেল আল-নুজাইলি বলেছেন, শনি-রোববার ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের উত্তরের দূরতম প্রান্ত থেকে পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল, দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বিস্তৃত এলাকার ১০টি ফ্রন্টে ৩৫৬টি অভিযান পরিচালনা করেছে সেনাবাহিনী। সেসব অভিযানে নিহত হয়েছে এই যোদ্ধারা।
যে দশ ফ্রন্টে যুদ্ধ হয়েছে, সেগুলো পশ্চিম উপকূলের হারাধ, হাজ্জাহ প্রদেশের আল-তুয়াল, উত্তরাঞ্চলীয় সা’দা প্রদেশে কাতিফ, আল বাকা এবং আল্ব, উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় জেলা আল জাউফ, পূর্বাঞ্চলীয় জেলা মারিব, দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা লাহজ, দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা তাইজ এবং মধ্যাঞ্চলীয় আল বায়দা জেলায় অবস্থিত।
অভিযানে হুথি বাহিনীর কমান্ড সেন্টার, অস্ত্র ও রসদ ডিপো, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং শত শত সামরিক যাবনবাহন ধ্বংস করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন কর্নেল আল-নুজাইলি।
বলেছেন, অভিযানে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, বিস্ফোরক রকেট এবং মাঠপর্যায়ে ব্যবহার উপযোগী গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে হুথি বাহিনী। তবে হতাহতদের মধ্যে ঠিক কতজন নিহত এবং কতজন আহত হয়েছেন— এক্সপোস্টে উল্লেখ করেননি কর্নেল আল-নুজাইলি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তারপর মাত্র এক বছরের মধ্যে ২০১৫ সালে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী।
বর্তমানে রাজধানী সানা, লোহিত সাগর উপকূল, বাব আল-মান্দেব প্রণালিসহ ইয়েমেনের গোটা উত্তরাঞ্চলসহ মোট ভূখণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি এলাকা হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে; আর দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।
উত্তর ইয়েমেনকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে গত জুলাই থেকে ইয়েমেনে অভিযান শুরু করেছে সেনাবাহিনী।
এর আগে রোববার সৌদি দৈনিক আরব নিউজকে কর্নেল আল-নুজাইলি বলেছিলেন, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার— তিন দিনে , অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টায় হুথিদের লক্ষ্য করে মোট ৭৫৬টি সামরিক অভিযন পরিচালনা করেছে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী। সেসব অভিযানে নিহত এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ৩১৬ জন হুথি যোদ্ধা।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা