অনলাইন ডেস্ক
টার্নাসের সামনে তাই প্রত্যাশাও অনেক। হার্ডওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকা এই কর্মকর্তাকে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে অ্যাপলকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে সামলাতে হবে বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জ।
এআই দৌড়ে গত দুই বছর ধরে অ্যাপলের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে সিরির নতুন সংস্করণ আনতে দেরি হওয়াকে কোম্পানিটির জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন সিরি আরও ব্যক্তিগতভাবে কাজ করবে। আইফোনে থাকা বার্তা ও ছবির মতো তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে এটি। নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপেও কাজ করতে পারবে। এমনকি স্ক্রিনে কী দেখা যাচ্ছে, সেটিও বুঝতে পারবে সিরি। এর মাধ্যমে গুগলের জেমিনির সঙ্গে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করবে অ্যাপল।
টার্নাসের ওপর নতুন কোনো বড় পণ্য আনার চাপও থাকবে। টিম কুকের সময়ে আইফোনের পাশাপাশি অ্যাপল ওয়াচ, এয়ারপডস ও বিভিন্ন সেবা কোম্পানিটির ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এবার নজর ভাঁজ করা আইফোনের দিকে। বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, নতুন এই পণ্য অ্যাপলের প্রবৃদ্ধিতে গতি আনতে পারে।
বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের চাহিদা বেড়েছে। এর মূল কারণ এআই ডেটা সেন্টারের দ্রুত সম্প্রসারণ। ফলে চিপের দামও বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের দামে। অ্যাপল ইতিমধ্যে আইপ্যাড ও ম্যাকের কিছু মডেলের দাম বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আইফোনের দামও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণও টার্নাসের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। অ্যাপ স্টোরের নিয়মে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে অ্যাপলকে। এ ছাড়া ইউরোপে নতুন সিরি চালু নিয়েও জটিলতা রয়েছে। তৃতীয় পক্ষের এআই সহকারীদের আইফোনে আরও সুযোগ দেওয়ার চাপও রয়েছে কোম্পানিটির ওপর।
সব মিলিয়ে বড় এক পরিবর্তনের সময়েই অ্যাপলের দায়িত্ব নিচ্ছেন টার্নাস। টিম কুকের তৈরি বিশাল ব্যবসা ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ও পণ্যের মাধ্যমে অ্যাপলকে আবারও চমকে দেওয়াই হবে তার মূল পরীক্ষা।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা