অনলাইন ডেস্ক
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দিব্যেন্দু নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘দারুণ লাগছে। মনে হচ্ছে যেন দ্বিতীয় জীবন ফিরে পেয়েছি। একই মানুষ, একই চরিত্র আর সেই চেনা দুনিয়া। এবার সব বড় পর্দায় দেখা যাবে। দর্শকরা দেখবেন আসলে কিছুই বদলায়নি, বরং আগের চেয়ে এনার্জি বা তেজ আরও বেড়ে গেছে।’
তবে এই ফেরা যতটা আনন্দের, ততটাই চ্যালেঞ্জের বলে মনে করেন ৪২ বছর বয়সী এই অভিনেতা। ‘মির্জাপুর’ নিয়ে দর্শকদের যে আকাশচুম্বী উন্মাদনা, তা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত দিব্যেন্দু। তার কথায়, ‘আমি কিছুটা নার্ভাস। কারণ এই চরিত্রটি নিয়ে মানুষের অন্যরকম আবেগ কাজ করে। আমি নিজেকে একই ছকে বেঁধে ফেলতে চাই না। তাই মুন্না চরিত্রে নতুন কী চমক দেওয়া যায়, তা নিয়েই এখন ভাবছি।’
ক্যারিয়ারের ১৪ বছরে এসে দিব্যেন্দু এখন অনেক বেশি পরিপক্ব। তিনি আরও বলেন, ‘সেই ভয় থেকেই আমি বেছে বেছে কাজ করি। নিজেকে রিপিট করতে ভালো লাগে না। আমি চরিত্রের প্রতি খুব খুঁতখুঁতে। এখন এমন সব চরিত্রের প্রস্তাব পাচ্ছি যে না বলা কঠিন। এখন আর শুধু ফিল্মকে না বলা নয়, টাকা আর ইগো এই দুটোকেও না বলছি না।’
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার নতুন কাজ ‘শালি মহব্বত’। নিজের কাজের দর্শন নিয়ে দিব্যেন্দু বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী হিসেবে স্বার্থপর। দিনশেষে পর্দায় নিজেকে দেখে যেন লজ্জিত হতে না হয়, সেটাই আমার কাছে বড় কথা। তবে প্রোডাকশন হাউস বা সহশিল্পী কারা থাকছেন, সেদিকেও নজর দিই। আমি সবসময় সীমিত সুযোগের মধ্যেও নতুন কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাই।’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা