অনলাইন ডেস্ক
বন্যার পর এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৪ হাজার ২০০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অনুসন্ধান, উদ্ধার ও মৃতদেহ উদ্ধারের কার্যক্রমের হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ ও ঝুঁকির বোঝা অসমভাবে নেপালকে বহন করতে হচ্ছে, যেখানে এ পরিস্থিতির জন্য নেপালের দায় সবচেয়ে কম।
এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নেপাল কোনো দাতব্য সহায়তা হিসেবে নয়, বরং নেপালের ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসানের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে সহায়তা প্রত্যাশা করছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ করেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অভিন্ন দায়িত্বের বিষয়ে নেপালের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানান।
তিনি বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নেপাল ও বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলোর জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রধান দূষণকারী দেশগুলোর সহায়তা করা উচিত।
এ ছাড়া, তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নেপালের বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নিহতদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ, এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার শান্তির জন্য দোয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
এ ছাড়া, দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথনের বিষয়ে তিনি অবহিত করেন।
তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা