অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পটি মাটির ১০১ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হেনেছে। যা মিয়ানমার ছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাকে কাঁপিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। ঢাকা থেকে দূরত্ব ৪৬২ কিলোমিটার।
ফারজানা সুলতানা বলেন, ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। তবে কক্সবাজার এবং এর কাছাকাছি অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প।
এদিন (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টা ৫৪ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী উখিয়া, টেকনাফ, রামু উপজেলা এবং বান্দরবানের লামা, নাইক্ষ্যংছড়িতে কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট আর্থকোয়াক ট্র্যাক বলছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.১ এবং উৎপত্তিস্থল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের মাউলাইক এলাকা থেকে ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ।
কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইমরান হোসেন জানান, হঠাৎ করে কম্পন অনুভব করেছি এখনও হাত-পা কাঁপছে। বিল্ডিংয়ের ৫ তলায় ছিলাম, ভয় লেগেছে খুব। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুক।
উখিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী পার্বত্য ইউনিয়ন ঘুমধুমের বাসিন্দা সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান বলেন, ৭-৮ সেকেন্ডের বেশি হবে পুরো ঘর কাঁপছিল। আমাদের এদিকে এরকম ভূমিকম্প এর আগে অনুভব করিনি। হেফাজতের মালিক আল্লাহ।
প্রসঙ্গত, গত ২২ দিন আগে ৩ ফেব্রুয়ারি রাতেও কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকার ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা