অনলাইন ডেস্ক
সম্প্রতি এক পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে ‘ডিগার’ নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা জানান অ্যাফ্লেক। টম ক্রুজের গত প্রায় দুই দশকের সিনেমাগুলোর মধ্যে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে কম উদ্বোধনী আয় করা ছবিগুলোর একটি ‘ডিগার’। গত ২ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পায় সিনেমাটি। মুক্তির পর প্রত্যাশা অনুযায়ী আয় করতে না পারায় বড় বাজেটের এই ছবি নিয়ে শুরু হয় নানা সমালোচনা ও বিদ্রূপ।
অ্যাফ্লেকের মতে, দর্শক ও সমালোচকেরা যখন কোনো সিনেমাকে মূলত তার আয়ের হিসাব দিয়ে বিচার করেন, তখন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ধরনের গল্প বলার বদলে পরিচিত ছকে তৈরি সিনেমার দিকে ঝুঁকতে পারে। অথচ ব্যতিক্রমী ও মানসম্পন্ন সিনেমা নির্মাণের জন্য ঝুঁকি নেওয়া জরুরি। সকল বড় প্রোজেক্টই প্রত্যাশিত আর্থিক সাফল্য পাবে না—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যর্থতার ভয়ে নির্মাতারা ঝুঁকি নেওয়া বন্ধ করে দিলে শেষ পর্যন্ত হলিউডে একঘেয়ে, নিরাপদ ও অনুমানযোগ্য সিনেমাই প্রাধান্য পাবে বলে মনে করেন তিনি।
আলেহান্দ্রো গনসালেস ইনারিতু পরিচালিত ‘ডিগার’-এ ডিগার রকওয়েল নামের এক খ্যাপাটে তেল ব্যবসায়ীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম ক্রুজ। সিনেমাটিতে টম ক্রুজকে দেখা গেছে ব্যতিক্রমী চেহারায়, একজন বুড়ো মানুষের অবতারে। সিনেমায় সেই তেল ব্যবসায়ীর কর্মকাণ্ডের জেরে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত সংকট তৈরি হয়। করপোরেট লোভ ও গল্প বলার নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় উঠে এসেছে তাতে।
এতে আরও অভিনয় করেছেন রিজ আহমেদ, জন গুডম্যান, সান্দ্রা হুলার, মাইকেল স্টালবার্গ ও জেসি প্লেমন্স।
তবে বড় বাজেটের এই ছবির আয় নির্মাতাদের প্রত্যাশার ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। এএফপির তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দুই সপ্তাহে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির আয় প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ ডলার, আর বিশ্বব্যাপী আয় ৩ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। ‘ভ্যারাইটি’-র হিসাব অনুযায়ী, ছবিটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ কোটি ডলার। এর সঙ্গে প্রচারের জন্য খরচ হয়েছে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলার।
সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের লোকসানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অ্যাফ্লেকের বক্তব্য, এমন আর্থিক ফলের কারণে কোনো সৃজনশীল প্রচেষ্টাকে নিরুৎসাহিত করা হলে ক্ষতি শুধু সংশ্লিষ্ট নির্মাতার নয়, পুরো সিনেমাশিল্পেরই।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা