অনলাইন ডেস্ক
ভেরোনিকা প্যান্টন কনসাল জেনারেলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তাদের আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে অন্টারিওতে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কল্যাণ, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পারস্পরিক সফর বিনিময় প্রভৃতি।
চিফ অব প্রটোকল ভেরোনিকা প্যান্টন উল্লেখ করেন যে, টরন্টোতে নিউ ইয়র্কের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কনস্যুলার মিশনের উপস্থিতি রয়েছে। অন্টারিওর রাষ্ট্রাচার প্রধান কনসাল জেনারেলকে টরন্টোর কনস্যুলার কোরের জন্য অন্টারিও কর্তৃপক্ষের আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান।
কনসাল জেনারেল খোকন প্যান্টনকে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, বিশেষ করে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের উদযাপনে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান।
কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রাচার প্রধানকে বাংলাদেশে একটি সরকারি সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং তার সফরে পূর্ণ আতিথেয়তা প্রদানে কনস্যুলেট জেনারেলের প্রস্তুতির কথা অবহিত করেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা