অনলাইন ডেস্ক
অবশ্য শেষ পর্যন্ত ওই যুবককেই ভারতে ফিরিয়ে নিয়েছে কোচবিহার জেলা পুলিশ। তার সঙ্গে ফিরেছেন আরও দুই ভারতীয় নাগরিক। যদিও স্থানীয় পুলিশ দাবি করেছে, ওই তিন যুবক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। সেসময় তারা বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির হাতে ধরা পড়েন।
মিনারুলদের অভিযোগ, গত ১৩ জুন মধ্যরাতে বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে তাকেও জোর করে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়। চিৎকার করে বারবার বলেছিলেন তিনি ভারতীয়, এ সংক্রান্ত সব নথি ও পরিচয়পত্র তার কাছে আছে। কিন্তু সেসব কথা কানে না তুলে তাদের কাছে থাকা টাকা-পয়সা ও সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়।
তারা বিজিবির হাতে ধরা পড়ার পরই তৎপর হয় ভারতের কোচবিহার পুলিশ। জানা যায়, মিনারুলেরা ভারতীয় নাগরিক। সে কারণে শেষ পর্যন্ত কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেয়।
এ বিষয়ে কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সন্দীপ গড়াই বলেন, তিন ভারতীয় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিলেন। সেসময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তারা ধরা পড়ে যান। অবশেষে কোচবিহার জেলা পুলিশের তৎপরতায় তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব যাচাই করে ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
তিন যুবকের নাম নাজিমুদ্দিন মণ্ডল, মিনারুল শেখ ও মুস্তাফা কামাল। মিনারুল ও নাজিমুদ্দিন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। আর মুস্তাফার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা