অনলাইন ডেস্ক
লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাতে সম্পন্ন হলো বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় আয়োজন ব্যালন ডি’অরের ঘোষণা। যেখানে পুরুষ ফুটবলে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন। আর নারী ফুটবলে যৌথভাবে সর্বোচ্চ তৃতীয়বার মর্যাদাপূর্ণ এই ‘সোনালী বল’ উঠল অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াসের হাতে।
এর আগে ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার বুকায়ো সাকা মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য ২০২৬ সালের ‘সক্রেটিস’ পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো, ফুটবল তারকাদের প্রভাব কেবল মাঠের পারফরম্যান্সেই সীমাবদ্ধ নয়, তাদের উদ্যোগ অন্য মানুষের জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। নাইজেরিয়া তার মা-বাবার জন্মভূমি। সেখানেই জার্মান দাতব্য সংস্থা ‘বিগশু’র সঙ্গে যৌথভাবে নাইজেরিয়ার শিশুদের অস্ত্রোপচারের অর্থায়নে সহায়তা করেছেন সাকা।
সাকার সহায়তায় বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যা ও রোগে আক্রান্ত ১২০ শিশুর অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে। এসব শিশুর মধ্যে হার্নিয়া ও মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্তরাও ছিল। খ্যাতি ও সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সমাজের কল্যাণে অবদান রাখা এবং মানবিক, শিক্ষামূলক ও স্বাস্থ্যসেবামূলক উদ্যোগে সহায়তা করা ফুটবল ব্যক্তিত্বদের ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে পুরস্কৃত করা হয়। ২০২২ সাল থেকে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন ও ‘পিস অ্যান্ড স্পোর্ট’ সংস্থা যৌথভাবে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সক্রেটিস পুরস্কার দিয়ে থাকে।
সামাজিক নানা বিষয়ে সোচ্চার অবস্থান এবং গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকার জন্য সুপরিচিত সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি সক্রেটিসের নামে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়। ফুটবলের তারকাদের মানবিক অবদানকে সামনে নিয়ে আসাই এই পুরস্কারের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রথমবার এই পুরস্কার জিতেছিলেন সেনেগালের তারকা সাদিও মানে। তার দাতব্য উদ্যোগের মধ্যে ছিল নিজ গ্রাম বাম্বালিতে একটি হাসপাতাল ও একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সহায়তা।
পরের বছর (২০২৩ সালে) পুরস্কারটি জেতেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নিজের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি ব্রাজিলের সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার সুযোগ তৈরি এবং ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী উন্নয়নে কাজ করেন। এ ছাড়া বর্ণবাদের বিরুদ্ধে তার লড়াইয়েরও স্বীকৃতি ছিল সক্রেটিস পুরস্কার। পরবর্তীতে সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার ভূমিকা, নির্যাতন ও বৈষম্যের মতো বিষয় সামনে আনায় স্প্যানিশ নারী ফুটবলার জেনি হারমোসো (২০২৪) এবং প্রয়াত সন্তান জানার নামে খোলা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গুরুতর রোগে আক্রান্ত শিশুদের সহায়তা এবং তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় পিএসজির স্প্যানিশ কোচ লুইস এনরিকেও (২০২৫) এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা