অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন মাওলানা সালাহ উদ্দিন আহমদ।
বায়তুল মোকাররমের জ্যেষ্ঠ ইমাম মুফতি মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন বায়তুল সালাহ উদ্দিন আহমদ। তার জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পারিবারিক সিদ্ধান্ত এখনও জানা যায়নি।’
মাওলানা সালাহ উদ্দিন আহমদের নাতনি বলেছেন, ‘আজ বিকেলে নানার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ল্যাবএইডে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান। এ সময় আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।’ ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসেবে মাওলানা সালাহ উদ্দিনকে নিয়োগ দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর আগে তিনি মহাখালীর গাউছল জামে মসজিদের খতিব ছিলেন। তিনি ছিলেন সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার অধ্যক্ষ। বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসেবে যোগ দেওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অসুস্থতা ও বার্ধক্যজনিত কারণে পরে তিনি আর বায়তুল মোকাররমে নামাজ পড়াতে পারেননি।
অনেক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন মাওলানা সালাহ উদ্দিন। তার হার্টে রিং পরানো হয়েছিল। তিনি রাজধানীর জিগাতলায় পরিবারসহ বসবাস করছিলেন।
১৯৪৪ সালে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের হাজরাদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা সালাহ উদ্দিন।
মাওলানা সালাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ও সচিব কাজী এনামুল হাসান।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা