অনলাইন ডেস্ক
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে খেলতে নেমে ২৩০ রানেই গুটিয়ে যায় অজিরা। ফলে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
রান তাড়া করতে নেমে টি-টোয়েন্টি ভঙ্গিমায় ব্যাট করতে থাকেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ও ওপেনার মিচেল মার্শ। তাকে সঙ্গ দিতে থাকেন ট্রাভিস হেড। ৯.২ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৯০ রান। মাত্র ৩৬ বলে ৬০ রান করে সাজঘরে ফেরেন মার্শ। আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেড আউট হওয়ার আগে করেন ৩৭ বলে ৩৬ রান।
এরপর প্রোটিয়াদের স্পিন ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। দুর্দান্ত বোলিং করেন কোরবিন বোশও। অস্ট্রেলিয়ার শেষ নয়জন ব্যাটারের মধ্যে কুপার কনোলি ও ম্যাট রেনশো ছাড়া কেউই ক্রিজে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। ৪২ বলে ৩৮ রান করেন কনোলি। আর রেনশো করেন ৪৯ বলে ৪৪ রান।
এছাড়া ইংলিশ ৩, গ্রিন ৫, এডওয়ার্ডস ৫, স্টার্ক ১৬, এলিস ৪ ও জাম্পা ৭ রান করেন। আর শূন্যরানে অপরাজিত থাকেন জশ হ্যাজলউড।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন কেশব মহারাজ। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন বিজোর্ন ফরচুন ও কোরবিন বোশ।
এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু শুরুটা ভালো হয়নি তাদের। দলীয় ২৯ রানের মাথায় সাজঘরের পথ ধরেন দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও টনি জর্জি। শূন্য রানে জর্জি ও ১৪ রানে ডি কক আউট হন।
তৃতীয় উইকেটে দলনেতা টেম্বা বাভুমাকে নিয়ে চাপ সামলে নেন ম্যাথিউ ব্রিটজকে। ৩০ রানে ফেরেন বাভুমা। এরপর ২৭ রানে রায়ান রিকেল ও ৯ রানে ডেভিড মিলার আউট হন।
ষষ্ঠ উইকেটে সবচেয়ে বড় জুটিটা পায় স্বাগতিকরা। মার্কো ইয়ানসেনকে নিয়ে ১০৭ রানের জুটি গড়েন ব্রিটজকে। সেঞ্চুরির পূরণের পর ১১২ রানে থামেন তিনি। এদিকে দ্রুত ফিফটি তুলে নেন ইয়ানসেন। তার ইনিংস থামে ৫৯ বলে ৭৫ রানে।
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সফল বোলার নাথান এলিস। সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন তিনি। দুটি উইকেট পেয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা। একটি উইকেট নেন জশ হ্যাজলউড।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা