অনলাইন ডেস্ক
পঞ্চম উইকেটে ১১৯ রান তুলে পাভানা ও জানিথ জুটি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের পথে রেখেছিল। শেষ সাত ওভারে সফরকারীদের প্রয়োজন ছিল ৫৫ রান। কিন্তু জানিথের উইকেট পড়তেই ভেঙে পড়ে লঙ্কান ব্যাটিং লাইন। ১৫ রানে তারা তাদের শেষ ৫ উইকেট হারায় এবং পাকিস্তান জয় নিশ্চিত করে।
শ্রীলঙ্কার লড়াই সামলে পাকিস্তানকে জেতাতে পেসাররা বড় ভূমিকা রেখেছেন বটে। কিন্তু দলীয় সংগ্রহে শক্ত ভিত গড়তে সালমান আগার একার অবদান স্বীকার করতেই হবে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। হারিয়েছে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বও। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে নেমে নিজেকে উজার করে দিলেন তিনি এবং হলেন ম্যাচসেরা।
ষষ্ঠ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর সালমান বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। পাকিস্তান দলে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তিনি চতুর্থ সেঞ্চুরি করে দলীয় স্কোর তিনশ পার করতে অবদান রাখেন। ২২তম ওভার শেষে পাকিস্তানের চার উইকেট পড়ে যায় এবং লম্বা টেল এন্ডারদের কারণে দলকে নিয়ে আশার আলো নিভতে শুরু করেছিল। কিন্তু হাসান নওয়াজ ও আরাফাত মিনহাসের সঙ্গে কার্যকরী জুটিতে পাকিস্তানকে উদ্ধার করেন সালমান। ৯০ বলে ১০৭ রান করেন তিনি।
৪৭তম ওভারে সালমান আউট হন। তারপর শাহীন শাহ আফ্রিদির ১৩ রানের সুবাদে পাকিস্তান ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ৩০৫ রানে অলআউট হয়। শ্রীলঙ্কার পক্ষে ইশান মালিঙ্গা চার উইকেট নেন। তিনটি পান আসিথা ফার্নান্ডো।
লক্ষ্যে নেমে ৯১ রানে চার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এই সময়ে কামিন্দু মেন্ডিস ৪৪ রান করে কার্যকরী ভূমিকা রাখেন। তারপর জানিথ ও পাভানের প্রতিরোধ গড়া জুটি। পাভান ইনিংস সেরা ৭৯ রানে আউট হওয়ার পরও দাসুন শানাকাকে নিয়ে লড়াই টিকিয়ে রাখেন জানিথ। কিন্তু ৪৪তম ওভারে তিনি ৬০ রানে বিদায় নিতেই লঙ্কানরা আত্মসমর্পণ করে।
৪ উইকেটে ২৫৩ রান করা শ্রীলঙ্কা ২৬৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। পাকিস্তানের পক্ষে শাহীন শাহ আফ্রিদি সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি করে পান নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও ফাহিম আশরাফ।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা