অনলাইন ডেস্ক
ইতিমধ্যে সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এছাড়া সেখানকার সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোয়াইব আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জরুরি অবস্থা জারির পর প্রদেশটিতে গভর্নর শাসন জারি করা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন বেসামরিক সরকারকে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
যতদিন পর্যন্ত জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি থাকবে ততদিন পর্যন্ত সেনা মোতায়েন থাকবে বলে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইমরান খানকে মুক্ত করতে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে গত ৫ অক্টোবর থেকে লংমার্চ শুরু করে পিটিআই। তাদের নেতাকর্মীরা খাইবার পাখতুনখাওয়াতেই অবস্থান করছিল। পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা ইসলামাবাদে প্রবেশ করবে এমন আশঙ্কায় ইতিমধ্যে রাজধানীতে রের্ড অ্যালার্ট ও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এরমধ্যে আজ খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা।
যদিও এই জরুরি অবস্থা জারির জন্য সন্ত্রাসবাদ দমনে ব্যর্থ হওয়ার কথা বলছে পাক সরকার।
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, সেনারা সাধারণ মানুষের জানমাল ও সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। আর সদ্যই ক্ষমতা পাওয়া গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করবেন কতজন সেনা মোতায়েন করা হবে।
সংবাদমাধ্যম পাকিস্তান অবজারভার জানিয়েছে, গভর্নরের বাড়িতে বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরদিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রদেশের বড় বড় সব সড়ক। এতে করে সেখানে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা