উপজেলা প্রশাসন মৃত ব্যক্তির চারপাশের ১০টি ঘর এবং দুটি বেসরকারি হাসপাতালের মানুষের চলাচল সীমিত করেছে প্রশাসন।
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ইতালিফেরত আবদুল খালেক (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ, ওই প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।
রোববার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত আবদুল খালেক শহরের জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা। তার দুই ছেলে বর্তমানে ইতালিতে আছেন।
এদিকে এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন মৃত ব্যক্তির চারপাশের ১০টি ঘর এবং দুটি বেসরকারি হাসপাতালের মানুষের চলাচল সীমিত করেছে প্রশাসন। ঘটনার রাতে দুই হাসপাতালে যারা কর্মরত ছিলেন, তাদের হাসপাতালের ভেতরেই অবস্থান করতে বলা হয়েছে।
কুমিল্লায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসনের কুইক রেসপন্স টিম
স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবদুল খালেক শ্বাসকষ্ট নিয়ে শহরের আবেদীন হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক তাকে আইসোলেশন সেন্টারে যেতে বলেন। তার স্বজনরা তাকে সেখানে না নিয়ে ডক্টরস চেম্বার নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যায়।
ভৈরব উপজেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফেরেন। ওই ব্যক্তি নিজেই হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।
ঢাকা থেকে নমুনা সংগ্রহের জন্য রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) প্রতিনিধিনিরা ভৈরবে এসেছেন। নমুনা সংগ্রহের কাজ করছেন বলে জানান ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
Like & Share our Facebook Page: Facebook