অনলাইন ডেস্ক
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০ টার দিকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল সিজেপি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ধ্রুব রাঠির। শনিবার ভোরে তাকে রাজধানী সংলগ্ন শহর গুরুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।
সিজেপির বিক্ষোভকে সামনে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় ৭ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করেছে পুলিশ। নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙ্গে যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শনিবার কনট প্লেস থেকে ১৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার নয়াদিল্লি ও তার আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ হাজার জনকে আটক করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, সিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে নয়াদিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। রাজধানীতে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ এবং ৩ শতাধিক ক্যামেরা। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যারা আটক হবেন, তাদের জন্য নয়াদিল্লির বিভিন্ন পয়েন্টে ১২টি বন্দিশিবিরও প্রস্তুত করা হয়েছে।
সিজেপি এই বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিল, তবে প্রশাসনিক নিয়মকানুন, অতীতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিশাল জনসমাগমের জেরে নিরাপত্তা ও যান চলাচলের ওপর সম্ভাব্য ব্যাঘাত প্রভৃতি কারণ উল্লেখ করে সে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে পুলিশ।
ইতোমধ্যে রাজধানীতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার অধীনে সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নয়াদিল্লির এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন সিজেপির শীর্ষ সংগঠক অভিজিত দীপকে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপকে বলেছেন, “আমাদের প্রতিবাদ শুরু হওয়ার আগেই মোদী পরাজয় মেনে নিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন এবং দিল্লিকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলা—এসব কোনো শক্তির পরিচয় নয়, বরং নিজের দেশের মানুষের কাছে ভীত এক নেতার লক্ষণ।”
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা