অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রাথমিক হিসাবে স্যামসাং জানিয়েছে, চতুর্থ প্রান্তিকে তাদের অপারেটিং প্রফিট হতে পারে প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন ওন। এক বছর আগে একই সময়ে এই মুনাফা ছিল ৬ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন ওন। এটি স্যামসাংয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ত্রৈমাসিক মুনাফা।
বিশ্লেষকদের মতে, এআই প্রযুক্তি ঘিরে ডেটা সেন্টার, সার্ভার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারের চাহিদা বাড়ায় মেমোরি চিপের দাম দ্রুত বেড়েছে। যা স্যামসাংয়ের আয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রেন্ডফোর্স জানায়, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে ড্রাম চিপের কিছু কনট্রাক্ট মূল্য আগের বছরের তুলনায় ৩১৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
রেকর্ড মুনাফার এই পূর্বাভাসের পর শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালের লেনদেনে স্যামসাংয়ের শেয়ারের দাম সামান্য বেড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারমূল্য বেড়েছে প্রায় ১৫৫ শতাংশ।
তবে সব খাতে স্বস্তির খবর নেই। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মেমোরি চিপের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্যামসাংয়ের মোবাইল ফোন ব্যবসার লাভের মার্জিনে চাপ তৈরি হতে পারে। স্মার্টফোন তৈরির খরচ বাড়লেও বাজার পরিস্থিতির কারণে পণ্যের দাম বাড়ানো সহজ নয়।
স্যামসাংয়ের সহ-প্রধান নির্বাহী টি এম রোহ বলেন, মেমোরি চিপের দাম বাড়ার প্রভাব এড়ানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে পণ্যের দাম সমন্বয়ের কথাও ভাবা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিকভাবে ডেটা সেন্টার ও এআই অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়তে থাকায় ২০২৬ সালেও মেমোরি চিপের সরবরাহ সংকট বজায় থাকতে পারে। এতে স্যামসাংয়ের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবসা আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে এআই বুম স্যামসাংয়ের জন্য নতুন গতি তৈরি করেছে। যদিও মোবাইল ব্যবসায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। তবু সামগ্রিকভাবে প্রযুক্তি জায়ান্টটির আয় ও মুনাফা বাড়ার ধারা আগামী বছরেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা