অনলাইন ডেস্ক
মেলোনি দাবি করেছেন, ট্রাম্পের কাছে তিনি এ ধরনের কোনো আবদারই করেননি।
তবে ট্রাম্প আবারও জানিয়েছেন, মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তুলতে অনুরোধ করেছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের সময় বারবার আমার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করেছিলেন।”
ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে আরও লিখেছেন, “”যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশ—যারা ইতালিকে সত্যিই ভালোবাসে এবং আগলে রাখে—তাদের কথা তিনি শোনেননি। বিশেষ করে ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করতে না পারে, সেই উদ্যোগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। সম্ভবত এই কারণেই ইতালিতে ইদানীং তার জনপ্রিয়তা বেশ কমতির দিকে। অবশ্য ন্যাটোর ভূমিকাও তার মতোই ছিল। তারাও যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।”
পাল্টা পোস্ট মেলোনির
ট্রাম্প নতুন করে আবারও ব্যক্তিগত আক্রমণ করার পর ফেসবুকে একটি পাল্টা পোস্ট করেছেন মেলোনি। সেখানে তিনি ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি অব্যাহতভাবে বিনা উস্কানিতে যেসব আক্রমণ করে যাচ্ছেন এগুলো অর্থহীন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না খারাপ সেটির ওপর তার জনপ্রিয়তা নির্ভর করে না। উল্টো ট্রাম্পকে তার নিজের জনপ্রিয়তার দিকে মনোযোগ দিতে বলেছেন তিনি।
মেলোনি লিখেছেন, “আমার জনপ্রিয়তার কথা যদি বলেন, আপনার বন্ধু হওয়াতে যে আমার খুব একটা লাভ হয়েছে তা কিন্তু নয়। আপনার সাথে আমার সম্পর্কের ওপরও আমার জনপ্রিয়তা নির্ভর করে না। আমার জনপ্রিয়তা নির্ভর করে ইতালির জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করার ক্ষমতার ওপর। আর আমি সবসময় ঠিক সেটাই করে এসেছি। যাই হোক, আমার জনপ্রিয়তা নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে। তার চেয়ে ভালো হয়, আপনি নিজের জনপ্রিয়তা নিয়েই ভাবুন।”
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা