অনলাইন ডেস্ক
এক সাক্ষাৎকারে শান জানান, অরিজিতের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি নিজের অতীতকে মেলাতে পারছেন। একসময় তিনিও একইভাবে গান গাওয়া ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন।
অরিজিতের গান ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে শান বলেন, ‘বিষয়টা এমন নয় যে সে পুরোপুরি গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। সে এখনো গান গাইছে এবং আমার মনে হয় সামনে আরও অনেক প্লেব্যাক করবে। পরিস্থিতি অতটা চরম নয়।’
তাহলে অরিজিৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন? মুচকি হেসে শান উত্তর দেন, ‘এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর তো শুধু অরিজিৎ নিজেই দিতে পারবে। তবে তার রেকর্ড করা অনেক গান এখনো মুক্তি পায়নি। আগামী দুই বছর শ্রোতারা অরিজিতের নতুন অনেক গান শুনতে পাবেন।’
শান আরও যোগ করেন, ‘কে বলতে পারে, হয়তো সে নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলবে! এটা তো আর পাথরের লেখা কোনো সিদ্ধান্ত নয় যে বদলানো যাবে না।’
কথা প্রসঙ্গে নিজের ক্যারিয়ারের এক চরম দোলাচলের কথা স্মরণ করেন শান। জানান, বয়স যখন ৩৩ বা ৩৪ বছর ছিল, তখন তিনিও হুবহু এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন।
শান বলেন, ‘সেই সময়ে আমি প্রায় সব ধরনের গান গেয়ে ফেলেছি। দুই-তিনটি বড় পুরস্কারও পেয়েছিলাম। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়ার একটা ইচ্ছা আমার ছিল। ভাবতাম, জীবনে এতদূর যখন এসেছি, সমাজের জন্য কিছু করা উচিত। কিন্তু কাজের চাপে সময় পেতাম না। মনে হতো, একই চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছি।’
শানের পুরো নাম শান্তনু মুখোপাধ্যায়। নব্বই ও দুই দশকের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পীদের একজন। তার মেলোডিয়াস গায়কির জন্য বিশেষ সমাদৃত। তার উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় গানগুলো হচ্ছে- ‘চান্দ সিফারিশ’, ‘হে শোনা’, ‘যব সে তেরে নয়না’, ‘বেহেতি হাওয়া সা থা ভো’।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা