অনলাইন ডেস্ক
বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজার ও দীপাবলির উৎসব গুরুত্বপূর্ণ। আলোর উৎসব দীপাবলিকে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ‘দীপাবলি’ বললেও অবাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা একে ‘দিওয়ালি’ বলে থাকে। ধর্মীয় এই উৎসবকে অনেকে ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ও বলে থাকে। অশুভ-অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এই উৎসব হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পালন করে চলেছেন শত শত বছর ধরে। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এই তিথিতে কালীপূজা উদ্যাপন করেন।
পঞ্জিকা মতে, রোববার দুপুর ১টা ২ মিনিটে শুরু হবে অমাবস্যা তিথি, যা শেষ হবে আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে।
কালীপূজা সাধারণত মধ্যরাতে শুরু হয়। একই তিথিতে কালীপূজার পাশাপাশি অনেকেই লক্ষ্মীপূজাও করবেন। কালীপূজার দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বলন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামাপূজার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা