অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের বিব্রতকর পরিস্থিতি ফেলার ইতিহাস আছে ইরানের। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় তারা এ কাজ করে। জিমি কার্টার থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সব প্রেসিডেন্টের সময় তারা এ কাজ করেছে।”
তিনি আরও বলেছেন, “একই সময়ে (নভেম্বরে) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্বাচন হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির জন্য এটি ইরানের জন্য বড় একটি সুযোগ। বিশেষ করে তারা জানে, মার্কিন ভোটাররা পেট্রোলের দাম নিয়ে অনেক বেশি স্পর্শকাতর। যেমনটা আরব ভোটাররা রুটির দামের ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর।”
বর্তমানে ইরান ও মার্কিনিদের মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। কিন্তু মধ্যস্থতকারী দেশগুলো এগিয়ে এলে এটির সমাধান হতে পারে উল্লেখ করে সাবেক এ দূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে কূটনৈতিক অচলাবস্থা রয়েছে। ফলে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য চমকপ্রদ কিছু একটা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “আমি মনে করি মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো যদি চমকপ্রদ কিছু না নিয়ে আসতে পারে তাহলে কূটনৈতিক তৎপরতার আসলে খুব বেশি দাম নেই।”
বিশেষ করে মক্কা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো যদি এগিয়ে আসে তাহলে সমাধান আসতে পারে বলে মনে করেন জোয়ে হুড। তিনি বলেন, “যেমন মক্কা চুক্তির দেশগুলো যদি তাদের নৌশক্তি নিয়ে উপসাগর ও উত্তর আরব সাগরে আসে এবং বলে, ‘আমরা হরমুজ প্রণালিতের নজরদারি করব, কোনো জাহাজে আর হামলা হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধেরও কোনো প্রয়োজন নেই।”
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা