অনলাইন ডেস্ক
গতকাল মার্কিন সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “বর্তমানে আমরা তাদের খুব, খুব কঠিনভাবে আঘাত করছি। সাগরতীরে এবং সাগরে তাদের যত সামরিক স্থাপনা আছে, প্রতিটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। আমি যতক্ষণ পর্যন্ত না থামাব, ততক্ষণ পর্যন্ত এটা চলতেই থাকবে।”
ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলার পরিকল্পনা আছে কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “শেষ পর্যন্ত হয়তো আমাদের তা করতে হবে।আমি অবশ্য ভেবে রেখেছিলাম যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে সবার শেষে হামলা পরিচালনা করা হবে।
“আজ রাতে আমরা তাদের খুব কঠিন আঘাত করতে যাচ্ছি। আগামীকাল এবং তার পরের দিনও তা অব্যাহত থাকবে। তারপর আগামী সপ্তাহটি তাদের জন্য খুব খারাপ হতে যাচ্ছে। কারণ তখন বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সামনে আসবে। যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে, (তাহলে) আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র, সব সেতুতে আঘাত করব।”
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা ছাড়া ইরানের সামনে আর কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিধিদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারা চুক্তি করতে চায়; কারণ তারা ভালোভাবেই বুঝতে পারছে যে চুক্তিস্বাক্ষর না করলে তাদের কেউই আর অবশিষ্ট থাকবে না।”
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতবিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালিতে চালাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে টোল আদায় করতে চায়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি তার বিরোধী।
এই মতবিরোধের জেরে গত ৫ জুলাই ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা করে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। ইতোমধ্যে ইরানের ইসলামপন্থি প্রজাতান্ত্রিক সরকার ঘোষণা দিয়েছে যে তারা আর ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে নেই।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা