অনলাইন ডেস্ক
এই অভাবনীয় অর্জন সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর আওতায় গৃহীত সেবাখাত ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুফল বলেই বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিবেদন বলছে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সেবা সমন্বয় এবং সহজীকৃত প্রক্রিয়ার ফলে ওমরাহ যাত্রা অনেক সহজ ও সুবিধাজনক হয়েছে।বৈশ্বিক ট্যুরিজম পারফরম্যান্স ইনডেক্স অনুযায়ী, মক্কা বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম শীর্ষ আন্তর্জাতিক গন্তব্য হিসেবে স্থান পেয়েছে, আর মদিনা অবস্থান করছে সপ্তম স্থানে।
২০২৪ সালে মদিনার মসজিদে নববীতে অবস্থিত মহানবী (সা.) এর রওজা শরিফ জিয়ারতের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে, যেখানে ২০২২ সালে সংখ্যাটি ছিল মাত্র ৪০ লাখ।
২০২৪ সালে ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক হাজি ও ওমরাহ পালনকারীদের সেবা দিয়েছেন, যা ২০২২ সালের ১৫ হাজার থেকে ১০ গুণের বেশি বৃদ্ধি। কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘গুণগত অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
২০২৪ সালে মক্কা ও মদিনায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্মৃতিবিজড়িত ১৫টি ঐতিহাসিক স্থান পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে ।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী তৌফিক আল রাবিয়াহ বলেন, এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। দূরদর্শী পরিকল্পনা, নিবেদিত প্রচেষ্টা এবং হাজিদের সেবা দিতে সৌদি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের মাধ্যমে এটি সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে আরও বড় অর্জনের প্রত্যাশাও প্রকাশ করেন তিনি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা