অনলাইন ডেস্ক
গত বছরের মতোই এবারও হজযাত্রীদের জন্য সবয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গরম। মরু আবহাওয়ার দেশ সৌদি আরবে জুন মাস মানে ভরপুর গ্রীষ্মকাল। গত বছর হজ শুরু হয়েছিল ১৪ জুন। সেবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত এবং হিটস্ট্রোক ও অন্যান্য গরমজনিত শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৩০১ জন যাত্রী।
চলতি বছর হজ শুরু হতে যাচ্ছে ৪ জুন থেকে। গত বছরের ঘটনা থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে চলতি বছর গরমের ব্যাপারে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরব। গরম ও দাবদাহের কারণে যেন এবার আর হজযাত্রীদের মৃত্যু না ঘটে— সেজন্য ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা এবং ২ লাখ ৫০ হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে দায়িত্ব দিয়েছে দেশটির সরকার।
পাশাপাশি ছায়াযুক্ত এলাকাগুলের আয়তন বাড়ানো হয়েছে ৫০ হাজার বর্গমিটার। যাত্রীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্বে থাকবেন কয়েক হাজার ডাক্তার-নার্স এবং মক্কা, মদিনা, আরাফাতসহ হজের সঙ্গে সম্পর্কিত সড়ক ও স্থাপনাগুলোর ধারে স্থাপন করা হয়েছে ৪০০টিরও বেশি কুলিং ইউনিট। তীব্র গরমের সময় যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ইউনিটগুলো।
সৌদি আরবে গত কয়েক দিন ধরে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আজ সোমবার তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, আজ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন।
তবে ব্যাপক গরম ও দাবদাহের মধ্যেও হজের জন্য সৌদিতে আসতে পেরে উৎফুল্ল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা। ফিলিপাইন থেকে আগত হজযাত্রী আবদুল মাজিদ আতি গালফ নিউজকে বলেন, “আমি যে এবার হজে আসতে পেরেছি— এটা আল্লাহর আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব হতো না। আমরা এখানে আসলে খুবই শান্তি ও নিরাপদ বোধ করি।”
নাইজেরিয়া থেকে আগত ২৭ বছর বয়সী হজযাত্রী আবদুল হামিদ বলেছেন, “আমি হজ করতে আসতে পেরে খুবই খুশি তবে এখানে খুব, খুবই গরম।”
সেনেগাল থেকে আসা ৫২ বছরের মারিয়ামার সারাজীবনের স্বপ্ন ছিল জীবনে অন্তত একবার হজ করার। গালফ নিউজকে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মক্কায় হজ করতে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। আমার স্বপ্ন এবার পূর্ণ হয়েছে।”
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা