অনলাইন ডেস্ক
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সচিবালয়ে এ সেবার উদ্বোধন করেন তিনি।
জানা গেছে, ই-বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে একজন বন্দিকে খুব দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে বেইলবন্ড দেওয়ায় আসামিকে এক ঘণ্টায় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে।
এর আগে দশ থেকে বারো ধাপ পার হয়ে জামিন পেতেন আসামিরা। এতে মানুষের টাকা খরচ হতো এবং ভোগান্তি হতো। তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় কে কখন সাইন করলেন তার রেকর্ড থাকবে। ফলে চাইলেও কেউ এটাকে দীর্ঘয়িত করতে পারবে না।
উল্লেখ্য, বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থী জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে প্রচলিত বেইলবন্ড দাখিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী, কারা প্রশাসন ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ে সহায়ক হবে বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপে নারায়ণগঞ্জ জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়ে এখন সফলভাবে চলছে। আজ মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, মৌলভীবাজার, পঞ্চগড়, ঝালকাঠি ও শেরপুর জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হলো।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা