অনলাইন ডেস্ক
ম্যানহাটন ফৌজদারি আদালত ভবনের ১৬ তলায় বিচারক জুয়ান ম্যানুয়েল মারচেনের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। এ সময় সেখানে মাত্র পাঁচজন আলোকচিত্রীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। ভিডিওধারণের অনুমতি দেয়া হয়নি কাউকে।ট্রাম্প বিচারকের কক্ষে প্রবেশের ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে তার বিরুদ্ধে আনা ৩৪টি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। মুখ বন্ধ রাখতে সাবেক পর্ন তারকাকে অর্থ দেয়ার পাশাপাশি ব্যবসা সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগগুলো পড়ে শোনানোর পর ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়, বাংলাদেশ সময় রাত দেড়টার কিছু আগে ট্রাম্প বিচারকের কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরলেও মুখ খোলেননি ট্রাম্প। আদালত ভবন থেকে বের হয়ে সরাসরি তিনি তার গাড়িবহরের দিকে চলে যান।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, আদালতে হাজির হওয়ার পরই ট্রাম্পকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। পরে পুলিশ হেফাজতেই তাকে আদালতকক্ষে নেয়া হয়। তবে আদালতকক্ষের প্রক্রিয়া শেষে ট্রাম্পকে ছেড়ে দেয়া হবে। আদালত থেকে তিনি প্রথমে নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে যাবেন। সেখান থেকে চলে যাবেন ফ্লোরিডার বাসভবনে। সেখানে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন তিনি।
এদিকে ট্রাম্প কোনো কথা না বললেও তার আইনজীবী টড ব্ল্যান্শ বলেছেন, গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত হতাশ ও বিপর্যস্ত। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি অভিযোগগুলোকে এই আইনজীবী ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছেন।
ব্ল্যান্শ বলেন, ‘এটি একটি বাজে দিন। এরকম কিছু এই দেশে ঘটবে বলে আশা করিনি। একজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার সঙ্গে এমন কিছু ঘটবে বলে আপনি নিশ্চয় আশা করবেন না।’ তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়ে এই আইনজীবী বলেন, ‘আমরা লড়াই করব, কঠিন লড়াই করব।’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা