অনলাইন ডেস্ক
জানা গেছে, বনগাঁয় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েন মিমি। ভক্তদের অতি-উৎসাহ এবং আয়োজকদের অব্যবস্থাপনায় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, মিমিকে শারীরিক লাঞ্ছনার মতো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মিমি চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই ধরনের ব্যবহারের মুখোমুখি আগে কখনো হইনি। এটি আমার জন্য অত্যন্ত তিক্ত একটি অভিজ্ঞতা।’
ক্ষুব্ধ মিমি আরও যোগ করেন, ‘বর্তমানে দর্শকরা মনে হয় ধরে নিয়েছেন যে, মঞ্চে পারফর্ম করতে আসা শিল্পীরা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি! এই ধরনের মানসিকতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিল্পীদের সম্মান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আয়োজকদের দায়িত্ব।’
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পূর্ব মেদিনীপুরে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীও একই ধরনের আপত্তিকর আচরণের শিকার হয়েছিলেন। একের পর এক তারকা শিল্পী হেনস্তার শিকার হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখন নিরাপত্তার প্রশ্নটি বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা