তিন বছর আগে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার বহুল আলোচিত মামলার রায় আগামীকাল বুধবার ঘোষণা করা হবে।
গত রোববার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন।
মামলার রায় ঘিরে ঢাকাসহ সারাদেশে পুলিশ নজরদারি শুরু করেছে বলে জানান কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, হলি আর্টিজান হামলায় নব্য জেএমবির সদস্যরা সরাসরি অংশ নিয়েছিল।
যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছিল, তাদের পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পাশাপাশি তাদের যে নেতা এবং মূল পরিকল্পনাকারী, তাদের আটজন বিভিন্ন সময় পুলিশের অভিযানে নিহত হয়েছে, কেউ আত্মহত্যা করেছে।
জেএমবি’র আমিরসহ গ্রেফতার ৩
মামলায় আটজন আসামি রয়েছে। তাদের কেন্দ্র করে অর্থাৎ এ রায়কে কেন্দ্র করে বা তাদের ছাড়িয়ে নিতে কিংবা অন্য কোনো নাশকতা কর্মকাণ্ড যাতে না করতে পারে, সেজন্য আমাদের ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক অব্যাহত রেখেছি।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২১১ জন সাক্ষীর মধ্যে যে ১১৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এ মামলায় আট আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে আদালতে।
এর আগে ২০১৮ সালে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে একই বছরের ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় বন্দুকধারী জঙ্গিরা। ওই রাতেই তারা দেশি-বিদেশি মোট ২০ জনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে জাপান, আর্জেন্টিনা, ইতালি ও ভারতের নাগরিক ছিলো।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা