অনলাইন ডেস্ক
রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মাইক্রোবাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
সিআইডির রাজশাহীর বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল জলিল জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যে ১৭টি নথি গায়েব হয়েছে তার মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের কেনাকাটার একটি নথি ছিল। ওই কেনাকাটার ঠিকাদার ছিলেন নসিমুল গণি টোটন। তদন্ত করতে গিয়ে ঢাকার সিআইডি মনে করেছে নাসিমুল গণি টোটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ জন্য তাঁকে নিয়ে যেতে ঢাকা থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘ সময় বাড়িতে অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা কিছু খোঁজার চেষ্টা করছিলাম। তবে যা খুঁজছিলাম, তা পাইনি। ঠিকাদার টোটন থাকেন দোতলায়। আমরা নিচতলা থেকে তিনতলা পর্যন্ত সবকিছুই দেখেছি।’
সচিবালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শাহাদৎ হোসাইনের কক্ষের লাগোয়া ঘর থেকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের কেনাকাটার ১৭টি নথি খোয়া গেছে।
গত ২৭ অক্টোবর নথিগুলো ফাইল কেবিনেটে রাখা হয়েছিল। পরদিন ফাইলগুলো আর পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছে সিআইডি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা