অনলাইন ডেস্ক
অনেক স্বজনকে দেখা যাচ্ছে নদীতে সাঁতার দিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করতে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশসহ অভিযান পরিচালনা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
নিখোঁজদের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের অনেক পরিবারের চার-পাঁচজনও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। প্রিয়জনদের মরদেহ পাওয়ার জন্য তাদের ভিড় এখন ঢাকার বুড়িগঙ্গাপাড়ে। তবে ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে এখনো মরদেহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডুবুরিরা।
অভিযান পরিচালনাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ডুবুরিরা দেখেছেন লঞ্চটির ভেতর আরো মরদেহ রয়েছে। তবে তা উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়েছে। লঞ্চটি উপুড় হয়ে থাকার কারণে ভেতরে প্রবেশ করা যাচ্ছে না।
কর্মকর্তারা আরও জানান, ডুবুরিরা দড়ি ও অক্সিজেনের নল নিয়ে পানির নিচে ডুব দেন যা পানির ওপর নৌকায় থাকে। ডুবে যাওয়া লঞ্চটি যে অবস্থায় আছে তাতে অনেক সময় অক্সিজেন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ কারণে বাকি মরদেহ উদ্ধার করা এখন ঝুঁকিপূর্ণ। তবু সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে যেন সব মরদেহ উদ্ধার করা যায়।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে লঞ্চ ডুবির ঘটনাটি ঘটে। লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। তবে স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, লঞ্চটিতে এর চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী ছিল। ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দোতলা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ নামের অপর লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায়।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা