অনলাইন ডেস্ক
ঝালকাঠি শহরের সুগন্ধা নদীর তীরে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কালেক্টরেট স্কুল। রেল গাড়ীর আদলে নকশা করা স্কুলটিতে শুরু থেকেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিন্তু এক সময় স্কুলের এই জমিতে নজর পরে ঝালকাঠি-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুর। এই জমিতে আমু তার নিজের ও প্রয়াত স্ত্রীর নামে ফিরোজা আমু টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ এবং ফিরোজা-আমির হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নামে দুটি প্রতিষ্ঠান গড়ার নামে জমি দখল করে। সরেজমিনে গিয়ে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের একটি ভবন পাওয়া গেলেও নামফলক ছাড়া প্রথমটির কোন অস্তিত্ব নেই।
কালেক্টরেট স্কুলের শিক্ষকরা জানান, জমি দখলে নেয়ায় স্কুলের পরিসর ছোট হয়ে যায়। ফলে একটি কলেজ নির্মাণের কথা থাকলেও সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া ২০২০ সালের মার্চে দুর্বৃত্তরা স্কুলের সীমানা প্রাচীরসহ স্কুল ভবনের অধের্কটা ভেঙ্গে ফেলে বলেও অভিযোগ করেছেন।
ফিরোজা-আমির হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সনজয় কুমার নন্দি জানান, নিয়ম মেনেই ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তারা জমি বরাদ্দ নিয়েছেন। ঝালকাঠির নতুন জেলা প্রশাসক এসে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে কালেক্টরেট স্কুলের বর্তমান অবস্থান নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। যেখানে তৎকালীন সাংসদ কিভাবে প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল করে নিজেদের নামে প্রতিষ্ঠান গড়েছেন তার বিস্তারিত বিররণ আছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা