অনলাইন ডেস্ক
এই ম্যাচ দিয়ে ৪০২ দিন পর প্রতিযোগিতা মূলক ক্রিকেটে ফেরেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ফেরার দিনে জয় না পেলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ছিলেন উজ্জ্বল।
১০১ রানের জবাবে এনামুল হক বিজয় ও লেন্ডল সিমন্সের ব্যাটে দারুণ শুরু করে সিলেট। তবে সেই জুটি বেশি চড়াও হতে দেননি ১৩ মাস পর বল হাতে ফেরা মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। সিমন্সকে ফিরিয়ে ২১ রানে সিলেটের ওপেনিং জুটি ভাঙেন তিনি। ২১ বলে ১৬ করে বিদায় নেন সিলেটের ওপেনার।
সিমন্স ফিরলে মিঠুনকে নিয়ে কিছুটা লড়াই করেন বিজয়। দলীয় ৫৯ রানে ওই জুটি ভাঙেন হাসান মুরাদ। দুই উইকেট তুলে নিয়েও সিলেটের জয়ের রথ থামাতে পারেনি ঢাকা। অল্প রানের পুঁজি নিয়ে ম্যাচ জমাতে পারেনি মাহমুদউল্লাহর দল। সহজ লক্ষ্য টপকে ১৮ বল হাতে রেখেই জয়ের নাগাল পেয়ে যায় সৈকতের দল। ব্যাট হাতে ৪৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন বিজয়। তাঁর সঙ্গে কোলিন খেলেন ২১ রানের ইনিংস।
এর আগে সিলেটের বিপক্ষে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৪ ওভারে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান তুলেছে ঢাকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ঢাকা। দলীয় ১৭ রানে হারিয়ে ফেলে তিন টপঅর্ডারকে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শেহজাদকে (৫) বিদায় করেন সোহাগ গাজী। পরের ওভারে তামিম ইকবালকে এলবির ফাঁদে ফেলেন সৈকত। গত ম্যাচে শূন্যতে আউট হওয়া তামিম আজ করেন ৩ রান। এরপর চারে নামা জহুরুলকে নিজের শিকার বানান সোহাগ।
দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ ও নাঈম। কিন্তু নাঈমের মন্থর গতির ব্যাটিংয়ে সেই জুটি জমে ওঠেনি। ১৩তম ওভারে ওই জুটি ভাঙেন নাজমুল ইসলাম অপু। টেস্ট মেজাজে খেলা নাঈম ৩০ বলে করেন মাত্র ১৫ রান। জাতীয় দলের নিয়মিত ব্যাটারের স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ৫০। একই ওভারে আন্দ্রে রাসেলকেও ফেরান নাজমুল।
দ্রুত উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে দলকে বেশিদূর নিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। ৩৩ রান করে ভাঙে তাঁর প্রতিরোধ। মাহমুদউল্লাহ ফিরলে টেলএন্ডারদের ব্যাটে চড়ে শেষ পর্যন্ত ১০০ রানে থামে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা।
সিলেটের হয়ে বল হাতে মাত্র ১৮ রান দিয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন নাজমুল। ১৭ রান খরচায় দুটি উইকেট নেন সোহাগ গাজী। তাসকিনের শিকার তিনটি। আর ১২ দিয়ে একটি উইকেট নেন সৈকত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা : ১৮.৪ ওভারে ১০০/১০ (তামিম ৩, শেহজাদ ৫, জহুরুল ৪, নাঈম ১৫, রাসেল ০, শুভাগত ২১, মাহমুদউল্লাহ ৩৩, উদানা ১, মাশরাফী ২, রুবেল ১২ , হাসান ০ ; সোহাগ গাজী ৪-১-১৭-২, সৈকত ৪-০-১২-০, নাজমুল ৪-০-১৮-৪, তাসকিন ২.৪-০-২২-৩, সানজামুল ২-০-১৭-০)।
সিলেট সানরাইজার্স : ১৭ ওভারে ১০১ (সিমন্স ১৬, মিঠুন ১৭, বিজয় ৪৫, কোলিন ২১, বোপারা ১ ; মাশরাফী ৪-০-২১-২, রুবেল ২-০-১০-০, হাসান ৪-০-৩১-১, রাসেল ৩-০১৭-০, শুভাগত ২-০-১১-০, উদানা ১-০-৭-০)।
ফল : সাত উইকেটে জয়ী সিলেট সানরাইজার্স।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা