বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো করোনা মহামারীর কারনে দেশে বিদেশে বিভিন্ন আইসিটি সেবার কার্যাদেশ ও সেবা চুক্তি বাতিল এর ফলে যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য ৬৬০ কোটি টাকার অনুদান চেয়েছে।
আগামী ৬ মাসে, এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর, সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের বেতন, অফিস ভাড়া এবং আনুসাঙ্গিকে খরচে ১৪০০ সদস্য প্রতিষ্ঠানের ব্যয় হবে ১০০০ কোটি টাকা। এই অনুদান কোম্পানিগুলোর কর্মচারীদের বেতন ও আফিস ভাড়ার ব্যয়ে সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করা হবে। করোনার প্রভাবে টিকে থাকার ঝুঁকির আশঙ্কায় এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাসের জন্য এই সুবিধা চেয়েছে সংগঠনটি।
সদস্যদের ব্যবসা সচল রাখার জন্য সরকার থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ ২ শতাংশ সুদে জামানত বিহীন ঋণ সুবিধা চেয়েছে বেসিস।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে পরিমার্জিত একটি আবেদন আইসিটি বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। ৬৬০ কোটি টাকার মধ্যে ‘আগামী তিন হতে ছয় মাসের জন্য বেসিস সদস্য কোম্পানিগুলোর কর্মীদের স্যালারির জন্য ৬০০কোটি টাকা ও অফিস ভাড়া ৬০ কোটি টাকা অনুদানের কথাও’ বলছিলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বেসিস সদস্যরা লোকাল ও ইন্টারন্যশনাল মার্কেটে তাদের কার্যাদেশ হারিয়েছে এবং এটা এখন কোম্পানিগুলোর জন্য অস্তিতের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এমতো অবস্থায় সরকার যদি আগামী ২ থেকে ৪ মাসের মধ্যে সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দেয়, তাহলে প্রায় ৫০% শতাংশ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে।
তিনি আরও বলেন, আমারা প্রায় ৫০ হাজার কর্মচারীদের জন্য জনপ্রতি ৬ মাসের জন্য মাসে ২০,০০০/- টাকা করে দাবী করেছি। পূর্ন নয়, বরং প্রকৃত বেতনের একটি অংশ মাত্র এখানে সরকার থেকে দাবী করা হয়েছে।
কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি বৈঠকে এই দাবিগুলো ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বেসিস সভাপতি বলেন, সরকারের ই-গভর্নেন্স যে প্রকল্পগুলো রয়েছে সেগুলো যদি দ্রুত শুরু করা যায়, তাহলে অনেক লোকাল প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হবে।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা