অনলাইন ডেস্ক
ড. আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ মিলিয়ন ডোজ টিকা অতিরিক্ত রয়েছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে ১০ থেকে ২০ মিলিয়ন টিকা চেয়েছি।
তিনি বলেন, বৈঠকে বলেছি, আপনার যখন অন্যান্য দেশকে করোনার টিকা দেবেন, তখন বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেন দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৬০ মিলিয়ন ডোজ অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা সংরক্ষিত রয়েছে। তবে তারা সেটি ব্যবহার করছে না। আর আমাদের এখানে দ্বিতীয় ডোজ সম্পূর্ণ হচ্ছে না। সে কারণেই জরুরি ভিত্তিতে আমরা টিকা চেয়েছি। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা। এ জন্য আমরা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে কনট্রাক্ট করেছি। এটা বেশ অগ্রসর হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে কাজ করছে।’
ভারত থেকেও জরুরি ভিত্তিতে টিকা চাওয়া হয়েছে বলে জানান মোমেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের আশাও ছেড়ে দিইনি। তাদেরও আমরা টিকা পাঠাতে বলেছি।’
দেশে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া উৎপাদিত টিকা দিয়ে। তবে হঠাৎ ভারতের এ প্রতিষ্ঠান টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় ডোজ সংকটে পড়ে দেশ। এমন বাস্তবতায় চীন ও রাশিয়ার দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ।
এক প্রশ্নের উত্তরে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জরুরিভাবে চার মিলিয়ন টিকা চেয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, তিনি এটা জোরালোভাবে দেখছেন।
তিনি জানন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা