অনলাইন ডেস্ক
এমন পারফরম্যান্সের পর তার হাতে ম্যাচ সেরার পুরস্কার দিতে কোনো কার্পণ্য করেননি ম্যাচ রেফারিরা। একই সঙ্গে সিরিজ সেরার পুরস্কারও উঠেছে বাংলাদেশি এই পেসারের হাতে। এর আগে, প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরিয়নে নির্ধারিত ১০ ওভার বল করে মাত্র ৩৬ রান দিয়ে তুলে নিয়েছিলেন তিন তিনটি উইকেট। মাঝে দ্বিতীয় ম্যাচ তথা ওয়ান্ডারার্সে ছিলেন উইকেটশূন্য। তবে খেলা আবারও সেঞ্চুরিয়নে ফিরতেই জ্বলে উঠলেন তাসকিন। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারেই প্রথম সাফল্যের দেখা পেলেন। ১৬ বলে ৯ রান করা কাইল ভেরেইন্নেকে সাজঘরে ফেরান গতি তারকা।
এরপর মাঝে সাকিবের এক ওভার পর আবারও বল হাতে তুলে নিয়ে বিধ্বংসী হয়ে উঠা জানেমান মালানকে ফেরান তাসকিন। ৫৬ বলে ৭ চারে ৩৯ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন মালান। এরপর যথাক্রমে ডেভিড মিলার, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস এবং কাগিসো রাবাদার উইকেট তুলে নিয়েছেন তাসকিন।
তিন ম্যাচ মিলে তাসকিনের উইকেট সংখ্যা ৮টি। যা পুরো সিরিজে সর্বোচ্চ। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাসকিনের প্রথমবারের মতো সিরিজ সেরা হওয়া।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা